কোনমতে ঘাড় নেড়ে ভালো বললো রিনি। ওর কোমরে তখন প্রণব নিজের গরম লোহার ডান্ডার মত শক্ত মোটকা বাড়াটাকে চেপে ধরেছে। পুরুষাঙ্গের সাথে এই প্রথম পরিচয় রিনির নরম শরীরের। সারা শরীরে আবার কাঁপুনি এসে গেলো। এত শক্ত ! এত গরম ! এত বড় ! বন্ধুদের মুখে শোনা আর বাস্তবে নিজের কোমরের উপর স্পর্শ পাওয়া একদম আলাদা হাড়ে হাড়ে টের পেল রিনি। ওর মাখনের মতো গুদ আরো ভিজে গেল। দুধের বোঁটা গুলো কি চুলকাতে শুরু করে দিলো ! উফফফফ! রিনি আরো ছটফটানি শুরু করলো। ঠিক এই সময়েই ওকে ছেড়ে দিলো প্রণব। এটাই প্রণব চায়। খিদে জাগিয়ে ছেড়ে দাও। ও এবার নিজেই আসবে। কিন্তু রিনি ছাড়া পেয়েই জড়সড় হয়ে জামা কাপড় ঠিক করে খাটের কোণায় গিয়ে বসল। হঠাৎ আলো চলে এল। প্রণব ওকে ভালো করে দেখছিল। রিনির রসালো ঠোঁট দুটো আরো লাল হয়ে গেছে প্রণবের ঠোঁটের চাপে। রিনিকে বললো,
– দ্যাখ, যা বৃষ্টি হচ্ছে তাতে তুই আর এখন বাড়ি যেতে পারবি না। আর সেই কারণেই আমি যা যা বলব করব সব চুপচাপ মেনে নিবি। কেউ যেন জানতে না পারে। মনে থাকবে ?
কোনরকমে মাথা নিচু করে রিনি সায় দিল। রিনির সায় পেয়ে প্রণব উঠে দাঁড়ালো। চা দুটো এখনও গরম আছে। ওর কাপটা ওকে এগিয়ে দিয়ে ওর পাশে বসে এক হাতে আবার ওকে জড়িয়ে ধরে নিজের কাছে টেনে নিলো। বললো
– নে চা টা খা। আজ আর অঙ্ক নয়। তোকে আজ একদম অন্য একটা জিনিস শেখাবো। যেটা তোর ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে। আজ আমরা নারী পুরুষের শরীরের শিক্ষা নেবো।
