Monday, August 3, 2026

আ*ত্মহ/ত্যার কয়েকঘণ্টা আগে স্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হয়েছিল পুলিশ সম্রাটের

আরও পড়ুন

খুলনায় দায়িত্ব পালনের সময় নিজ রাইফেলের গুলিতে আত্মহত্যা করেছেন সম্রাট বিশ্বাস নামে এক পুলিশ কনস্টেবল। এ ঘটনায় সম্রাটের পরিবার তার স্ত্রী আরেক পুলিশ সদস্য পুঁজা দাসকে দায়ী করছেন। আত্মহত্যার কয়েকঘণ্টা আগে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছিলেন সম্রাট। স্ত্রী পুঁজার সঙ্গে কী কথা হয়েছিল সম্রাটের— তা নিয়ে রহস্য ডানা বেধেছে; প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরাও।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে খুলনা রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে অস্ত্রাগারে দায়িত্বরত অবস্থায় সম্রাট নিজের ইস্যুকৃত রাইফেল দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন। এর ঠিক কয়েকঘণ্টা আগেই স্ত্রী পুঁজার সঙ্গে কথা বলেছিলেন সম্রাট।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালে ডা'কা'তি করতে গিয়ে জিনিসপত্র নেওয়ার পর ঘরে থাকা প্রবাসীর বউ কে...See more

নিহত সম্রাটের বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার চরপদ্মবিলা গ্রামে। ওই এলাকার শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিতে যোগ দেন সম্রাট। চাকরিরত অবস্থায় সাতক্ষীরা জেলা পুলিশে কর্মরত নারী কনস্টেবল পুঁজা দাসের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। ছয় মাস আগে পারিবারিকভাবে তারা বিয়ে করেন। সামনের মাসে বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।

সূত্র বলছে, রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করার পর থেকেই মাঝে মধ্যে স্ত্রী পুঁজার সঙ্গে ঝগড়া হত সম্রাটের। আত্মহত্যার কয়েকঘণ্টা আগেও স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সম্রাট। এ সময় পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে রাগারাগি হয় তার সঙ্গে।েএরপরই হতাশা থেকে আত্মহত্যার মতো পদক্ষেপ নেন সম্রাট।

আরও পড়ুনঃ  এই সেই তিন গর্বিত সন্তান। দেখেন তো চিনতে পারেন কিনা....see more

সম্রাটের মামা সত্যজিৎ রায় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘৬ মাস আগে আমাদের সে জানায় সাতক্ষীরা পুলিশে চাকরি করে এক মেয়েকে সে ভালোবাসে এবং বিয়ে করতে চায়। পরিবারের একমাত্র ছেলে বলে আমরা আর কিছু না ভেবে দুই পরিবার থেকে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে দেই। বিয়ের পর থেকে পরিবারে সে এক টাকাও দিত না। সব বউ নিয়ে যেত। ওর সহকর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারি প্রতিদিনই ওদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। গতরাতে ফোনে দুজনের মধ্যে রাগারাগি হয়। এরপরই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ  নতুন মিশন নিয়ে মাঠে নামছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

জানতে চাইলে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঠিক কী কারণে সম্রাট আত্মহত্যা করেছেন সেটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। আমরা সব বিষয় খতিয়ে দেখছি।’

খুলনা রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, পারিবারিক বিভিন্ন কারণে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। তবে এ বিষয়ে তিনি সহকর্মীদের কাছে কখনো কিছু জানাননি। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ