Friday, September 18, 2026

বিয়ের কেনাকাটায় বেরিয়ে ওমানে একসঙ্গে প্রাণ হা*রালেন ৪ ভাই

আরও পড়ুন

আর কয়েকদিন পরেই ওমান থেকে দেশে ফেরার কথা ছিল তাদের। সেজন্য এক ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষ্যে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন চার ভাই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন চিরতরে বিলিন হয়ে গেল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার একই পরিবারের চার সহোদর। গাড়ির এসি বিস্ফোরণ কিংবা গ্যাস লিকেজজনিত বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটলেও বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়ি থেকে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুনঃ  নয়াদিল্লিকে সংলাপের প্রস্তাব দিলেন শেহবাজ

 

নিহত চার ভাই রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বান্দারাজার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তারা হলেন— রাসেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। সবাই ওমানে কর্মরত ছিলেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার ভাইয়ের মধ্যে দুই ভাইয়ের দেশে ফেরার কথা ছিল। তাদের এক ভাইয়ের বিয়েও ঠিক হয়েছিল। বিয়ের কেনাকাটা করতে গিয়ে একসঙ্গে প্রাণ হারান চার ভাই।

 

লালানগর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইয়াকুব জানান, ওমানে অবস্থানরত একই এলাকার বাসিন্দা বাবুর মাধ্যমে তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। বাবুর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, বিয়ের কেনাকাটার উদ্দেশ্যে চার ভাই একসঙ্গে বের হওয়ার পর ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতরে তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ  মার্কিন-ইরান সমঝোতায় এবার মধ্যস্থতা করবে যে দেশ

 

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি মঙ্গলবার রাতের দিকে ঘটলেও বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়ি থেকে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, গাড়ির ভেতরে এসি চালিয়ে ঘুমানোর সময় গ্যাস লিকেজজনিত বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

ইয়াকুব বলেন, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বাবু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বর্তমানে মরদেহগুলো রুস্তাক থানার হেফাজতে রয়েছে। পরে সেগুলো মাস্কাটে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  কোহলির বি*রুদ্ধে কথা বলার জন্য টাকার প্রস্তাব পেয়েছিলাম

 

এদিকে চার সহোদর এমন মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ