আমার হাত ভাঙছে, মুখ ভাঙছে, পা ভাঙছে… আমার পেটে দুই মাসের বাচ্চা ছিল, সেটাও নষ্ট হয়ে গেছে। পুরো জীবনটাই নষ্ট করে দিয়েছে আমার…”
একজন নির্যাতিত নারীর বুকফাটা আর্তনাদ। এই কান্না শুধু একজন মানুষের নয়, এটি আমাদের সমাজের বিবেককে প্রশ্ন করে, আমাদের মানবতাকে নাড়া দেয়।
আজও যখন কোনো নারী সংঘবদ্ধ ধ/র্ষ/ণ, নির্যাতন ও হুমকির শিকার হন, তখন শুধু একজন ব্যক্তি নয়— পুরো সমাজই ক্ষতবিক্ষত হয়। একজন মেয়ে, একজন বোন, একজন মা বা একজন স্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে যখন প্রশ্ন ওঠে, তখন সেটি আমাদের সবার ব্যর্থতা।
পুরুষ একজন বাবা, ভাই, স্বামী কিংবা সন্তানের পরিচয়ে নারীর নিরাপদ আশ্রয় হওয়ার কথা। কিন্তু কিছু নরপশুর জঘন্য কর্মকাণ্ড পুরো সমাজকে কলুষিত করছে। এমন ঘটনা শুনলে মানুষ হিসেবে লজ্জিত হতে হয়, ব্যথিত হতে হয়।
ধ/র্ষ/ণ কোনো সাধারণ অপরাধ নয়। এটি মানবতা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের বিরুদ্ধে ভয়াবহ আঘাত।
আমাদের দাবি:
অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
প্রভাবশালী বা ক্ষমতাবান যেই হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।
বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে, কারণ বিচারহীনতাই নতুন অপরাধের জন্ম দেয়।
নীরবতা নয়, প্রতিবাদ হোক আমাদের শক্তি।
আসুন, নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে আমরা সবাই সোচ্চার হই।
আল্লাহ সকল নির্যাতিত মানুষকে ধৈর্য ও শক্তি দান করুন এবং অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করুন।
আপনার মতামত লিখুনঃ
