Sunday, July 12, 2026

মা ও তিন মেয়েকে হত্যা, অভিযুক্ত সেই ছেলেটির বিষয়ে যা জানা গেলো

আরও পড়ুন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভাড়া বাসায় ঢুকে একই পরিবারের মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডটি এখনও বড় এক রহস্য। পুলিশ এর জট খুলতে তদন্ত চালাচ্ছে। এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। সুরতহাল না হওয়ায় এখনও ময়নাতদন্তও হয়নি। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে একজনকে পিটিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। তার বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।

ওই যুবকের নাম অন্তর মজুমদার। বয়স আনুমানিক ৩০। তিনি নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর এলাকার কার্তিক মজুমদারের ছেলে। রায়পুর শহরের ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা ছিলেন।

তবে হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারটির সঙ্গে তার কী সম্পর্ক বা কেন এই নৃশংসতা- এই নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। কেউ কেউ লেনদেনের কথা বললেও পুলিশ এখন পর্যন্ত নাশকতা ধারণা করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  যে ৮ উপজেলার মানুষ পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড

পিটুনিতে নিহত অভিযুক্তের লাশ বর্তমানে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের শিকার মা ও তিন মেয়ের ময়নাতদন্ত হলে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। রায়পুর শহরের ধানহাটায় জানাজা শেষে কুমিল্লার হোমনার বাড়িতে নিয়ে ফের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।

এ ঘটনায় একমাত্র ছেলে সিফাত হোসেন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিস্থিতি এখনও থমথমে অবস্থায় বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  যে পানীয় পান করলে ৪৫ বছরের পরেও পুরুষদের টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়ে হুহু করে!

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. অরুপ পাল বলেন, এখনও পুলিশের সুরতহাল রিপোর্ট না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত করা যাচ্ছে না। তবে শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরের মধ্যে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর-সার্কেল) আবদুর রাশেদ বলেন, এখন পর্যন্ত এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেটা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটন করা যাবে বলে আশা করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকার অবস্থা ভ*য়াবহ

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা ডাকাতিয়া নদীর পাড় এলাকায় আমির হোসেন মাস্টারের ৫ম তলার বাসার নীচতলায় কক্ষে ঢুকে ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা অন্তর মজুমদার গৃহবধূ শাহীনুর বেগম ও তার মেয়ে সায়মা আক্তার, ইকরা আক্তার ও শিফা আক্তারকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এতে ঘটনাস্থলে শাহীনুর বেগম (৩৮) ও বড় মেয়ে কলেজশিক্ষার্থী সায়মা আক্তার (২০) মারা যান। পরে আহত শিফা আক্তার (৯) ও ইকরা আক্তারকে (১৭) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারা মারা যান।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ