Thursday, May 28, 2026

খামেনি যেভাবে সর্বোচ্চ নেতা হয়েছিলেন, তাঁর উত্তরসূরি কে

আরও পড়ুন

সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার তিনি নিহত হন। তাঁর মেয়ে–নাতি–পুত্রবধূ–জামাতাও নিহত হয়েছেন হামলায়।

সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে ইরান।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। এক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  ‘হাসনাত কই, লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে’

এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।

১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণকারী একজন ধর্মীয় পণ্ডিতের পুত্র আলী খামেনি ১৯৬২ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন।

১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর আলী খামেনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংগঠিত করতে সহায়তা করেন।

আরও পড়ুনঃ  শত্রুকে এমন জায়গায় আঘাত করবো যা তারা কল্পনাও করেনি: ইরানের নৌবাহিনী প্রধান

রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনি মারা গেলে, বিশেষজ্ঞ পরিষদ-ধর্মযাজকদের একটি পরিষদ- আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে, সংবিধান পরিবর্তন করে তাকে দায়িত্ব গ্রহণের অনুমতি দেয়। যদিও তিনি শিয়া ধর্মযাজকদের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদমর্যাদা অর্জন করেননি।

আয়াতুল্লাহ খামেনি তখন থেকেই ইরানের রাজনীতি এবং এর সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দৃঢ় দখল বজায় রাখেন। শাসক ব্যবস্থার প্রতি চ্যালেঞ্জ দমন করেছেন তিনি।

প্রতিবেদন বলছে, তিনি অন্য দেশের বিষয়েও ধারাবাহিকভাবে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান সংঘর্ষও ছিল। আলী খামেনি বারবার ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন। খামেনির শাসনামলে ইরানের সাতজন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুনঃ  তারেক রহমানকে চিঠি পাঠালেন ট্রাম্প, দিলেন যে বার্তা

এদিকে আলী খামেনির মৃত্যুর পর কে হবেন তাঁর উত্তরসূরি তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রয়টার্স বলছে, হামলার দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বলেছিল, যদি খামেনি অভিযানে নিহত হন, তাহলে তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন বিপ্লবী গার্ডের কট্টরপন্থী ব্যক্তিত্বরা।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ