ববির স্ত্রী বলছে, “আমার আর ববির ডিভোর্স হয় নাই এটা ইশরাত জানতো। ২০২৪ সালেই আমি তাদের চিটিং করতে ধরছিলাম। আমি ইশরাতকে বলছিলাম, আমার বাচ্চার দিকে তাকিয়ে হলেও দূরে সরে আসতে। কিন্তু তারা কেউ কোনো কথা শোনে নাই। আমার বাচ্চাটা স্পেশাল চাইল্ড, এজন্যই আমি আলাদা থেকেও ডিভোর্স দেই নাই।”
ববির স্ত্রীর কথাগুলো শুনে সত্যিই খারাপ লাগলো। একজন মা ঠিক কতটা কষ্টের ভেতর দিয়ে গেলে এভাবে কথা বলে, সেটা হয়তো বাইরে থেকে বোঝা যায় না। আমার নিজের এক বোনেরও স্পেশাল চাইল্ড আছে। কাছ থেকে দেখেছি একটা মা প্রতিদিন কতটা ধৈর্য, মানসিক চাপ আর যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে যায়।
ববি না হয় চিট করলো, কিন্তু একটা মেয়ে হয়ে আরেকটা মেয়ের সংসারে এভাবে ঢুকে পড়াটা কীভাবে সম্ভব? একটা বাচ্চার কথা, একটা পরিবারের কথা কিছুই মাথায় আসলো না?
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, নিজের সন্তানের খবর নেয় না, স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা নাই; অথচ ফেসবুকে এসে প্রেম, ভালোবাসা, সংসার নিয়ে জ্ঞান দেয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই নিজেকে যা দেখায়, বাস্তবে তারা তার সম্পূর্ণ উল্টো৷ জিম করে বডি বানালেই দায়িত্বশীল মানুষ হয় না৷💔
