Monday, June 1, 2026

ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছিলেন যে ৩ উপদেষ্টা!

আরও পড়ুন

অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার তৎপরতা ছিল—এমন অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অন্তত তিনজন উপদেষ্টা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বিলম্ব করতে চেয়েছিলেন এবং আরেকজন সুবিধাবাদী অবস্থান নেন।

শুরুর দিকে দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস। তবে পরে একাধিক সংস্কার প্রস্তাব সামনে আসে, যা সমালোচকদের মতে সময় বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই দেখা হয়েছে। উপদেষ্টাদের যুক্তি ছিল—তড়িঘড়ি নির্বাচন দিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা জানা গেলো

অন্যদিকে সমালোচকদের দাবি, নির্বাচন বিলম্বের আড়ালে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা এবং পছন্দের শক্তির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল। এ সময় “মব সন্ত্রাস” বা সহিংসতার পরিবেশকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। ধারাবাহিক সহিংসতায় প্রশাসনিক কার্যক্রম ধীর হয়ে পড়ে, যদিও সেনাবাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে বড় অস্থিরতা এড়ানো গেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

বিদেশি কূটনৈতিক মহলেও নির্বাচন বিলম্বের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল—এমন আলোচনা রয়েছে। একই সময়ে নিয়মিত সন্ধ্যাকালীন বৈঠক, অনানুষ্ঠানিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা, বিদেশ সফর, জনমত জরিপ ও কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমেও পরিস্থিতি প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রামিসার বাবা তারেক রহমানের পায়ে পড়ে যান

লন্ডনে একটি বৈঠক ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়। দাবি ওঠে, সেটিকে প্রশাসনকে দুর্বল করার প্রচারণার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকলেও নির্বাচনবিরোধী তৎপরতা পুরোপুরি থামেনি বলে অভিযোগ।

তবে জনচাপ ও আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের দিকেই অগ্রসর হতে হয়। ভোটের দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হলে সম্ভাব্য “প্ল্যান বি” থেকে সরে আসা হয় বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হস্তক্ষেপ করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ, সুখবর দিল নবীন ফ্যাশন

উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ ও বিশ্লেষণ বিভিন্ন মহলের আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে উঠে এসেছে; সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ