Friday, September 18, 2026

শত্রুপক্ষকে শিক্ষা দিতে এবার আরও ভয়ংকর ড্রোন প্রকাশ্যে আনলো ইরান

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের মুখে এখন পর্যন্ত শক্ত জবাব দিয়ে চলেছে ইরান। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বয়ে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে ভয়ংকর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি। ইরানের স্বস্তা ‘শাহেদ’ ড্রোনের ‘স্যাচুরেশন অ্যাটাকের’ সামনে ইতোমধ্যেই অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বসেছেন মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।

এখনও এই ড্রোন মোকাবিলার উপায় খুঁজে পায়নি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মধ্যপ্রাচ্যের মিত্ররা। এই যখন অবস্থা, ঠিক তখনই ইরান তাদের বহুল আলোচিত এই ড্রোনের নতুন একটি নকশা সামনে এনেছে।

আরও পড়ুনঃ  মসজিদে ঢুকে নামাজরত শিবির নেতাকে পিটিয়ে জখম

নতুন এই নকশার কারণে ড্রোনটি শনাক্ত করা এখন আগের চেয়ে আরও কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগে, ড্রোনটির ইঞ্জিন পেছনের দিকে থাকলেও নতুন সংস্করণে প্রপেলার বা পাখাটি সামনের দিকে বসানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তনের ফলে ড্রোনটির অ্যারোডাইনামিক বা বায়ুপ্রবাহের কার্যক্ষমতা আরও বাড়তে পারে।

এছাড়া, আগের গ্যাসোলিন পিস্টন ইঞ্জিনের বদলে নতুন এই ড্রোনে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন বা ইলেকট্রিক প্রোপালশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে, ড্রোনের ওড়ার শব্দ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে।

আরও পড়ুনঃ  খামেনির বিমান ধ্বংসের দাবি করল ইসরায়েল

পাশাপাশি এর থার্মাল এবং রাডার সিগনেচারও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার অর্থ হলো—রাডার বা তাপ পরিমাপক যন্ত্রে এটি সহজে ধরা পড়বে না।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

এর জেরে পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এ যৌথ সামরিক অভিযানে প্রথম ধাক্কাতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবার। সেইসঙ্গে হত্যা করা হয় ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কমান্ডারকেও। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরানও। ১৭ দিন ধরে চলমান এই হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ