Tuesday, June 2, 2026

হ/ত্যার বিচার চাইব না, আমাকে বাচ্চার কাছে যেতে দিন’

আরও পড়ুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রামপুরায় হত্যাচেষ্টার এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানিতে অংশ নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বরখাস্তকৃত পুলিশ কনস্টেবল শোয়াইবুর রহমান জয়।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করার সময় তিনি নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান এবং বারবার তার বাচ্চার কাছে ফেরার আকুতি জানান।

এদিন সকালে শোয়াইবুর রহমানকে সিএমএম আদালতের হাজতখানা থেকে এজলাসে নেওয়ার পথে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “পুলিশের চাকরিতে থাকাকালীন আমি এমন কোনো কাজ করিনি যার জন্য মামলা দেওয়া হবে। আমি পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে বলব, আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমি আমার সহকর্মীদের হত্যার বিচার চেয়েছিলাম, আর কখনও চাইব না। আমাকে সাধারণ ক্ষমা করে দিন, আমার ছোট একটা বাচ্চা আছে, আমাকে তার কাছে ফিরে যেতে দিন।”

আরও পড়ুনঃ  সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি নিয়ে আসতে পারে নতুন সিদ্ধান্ত

শোয়াইবুর রহমান তার বক্তব্যে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, “আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনি একজন সৈনিকের সন্তান, আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। যদি প্রমাণ হয় আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম, তবে আমার ফাঁসি দেওয়া হোক।”

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “আইজিপি বা কমিশনার জানেন না, তাহলে আমাকে বারবার কেন মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে?”

আরও পড়ুনঃ  শেখ হাসিনার সঙ্গে কী কথা হয়েছে, জানালেন জিএম কাদের

এদিন রামপুরা থানার এসআই মোহাম্মদ গোলাপ উদ্দিন মাহমুদ তাকে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরনী মীর তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোমিনুল ইসলাম।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুলাই আন্দোলনের সময় রামপুরা বিটিভি ভবনের পাশে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় আবু নোমান নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে তিনি সুস্থ হয়ে রামপুরা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুনঃ  খামেনি নি"হ"ত, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো ইরানি মিডিয়া

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে সংগঠিত হয়ে আলোচনায় এসেছিলেন কনস্টেবল শোয়াইবুর রহমান। পরবর্তীতে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সেই থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ